পঞ্চগড়ের ১ নং অমর খানা ইউনিয়নে কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সনদ ও পুরস্কার বিতরণ
প্রকাশ: ২:৩০ পূর্বাহ্ণ নভেম্বর ৭, ২০২৫

মো: মোহন মিয়া, পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়নের মডেলহাট কিন্ডারগার্টেন এন্ড ইংলিশ স্কুলে বৃহস্পতিবার উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃত্তি সনদ ও সম্মাননা প্রদান, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন, পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ। প্রধান অতিথি ছিলেন ১নং অমরখানা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মায়েদ সরকার মুকুট।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সুলতান মাহমুদ বলেন,
গ্রামীণ পর্যায়ে শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের বিদ্যালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বাড়ায়।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু মায়েদ সরকার মুকুট বলেন,
“এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। মানসম্মত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। মডেলহাট কিন্ডারগার্টেনের এই আয়োজন নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন পঞ্চগড় জেলা শাখার সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, নাজমুল হক, দিলিপ কুমার সরকার, রুমি চৌধুরী, ঝরনা বেগম, আবু সাইদ, জিল্লুর রহমান, রবিউল ইসলাম, মশারুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল নাহার, আহসান আদম রাজু, মফিজুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় দৌড়, বল নিক্ষেপ, চামচে ডিম দৌড়, চেয়ার খেলা, কবিতা আবৃত্তি ও নাচের প্রতিযোগিতায়। শিশুদের হাসি-আনন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন,
“শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিশুদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে।”
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী ও পরিচালনা কমিটি।
দিনশেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার, বৃত্তি সনদ ও সম্মাননা তুলে দেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে সৃষ্টি হয় এক উৎসবের আমেজ।