গলায় ধারালো আস্ত্র ঠেকিয়ে ছিন্তাইয়ের ঘটনায় আটক ২, টাকা উদ্ধার
প্রকাশ: ৫:০২ অপরাহ্ণ আগস্ট ২, ২০২৫

◾মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দিনেদুপুরে গলায় ধারালো দা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় সিলেট শাহপরাণ এলাকা থেকে ২ ছিন্তাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। এসময় ছিন্তাইকৃত ৯৯ হাজার ৫০০টাকা, ছিন্তাইকাজে ব্যবহৃত ধারালো দা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বড়লেখা থানা পুলিশ সিলেট জেলা ও মহানগরী বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে শাহপরাণ কাজিরবাজার এলাকা থেকে দুই সেলিম আহমেদ অনিক (৩৭) ও সাকিব আহমদ (২৫) নামের দুই ছিন্তাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত নগদ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, দা, একটি মোটর সাইকেল, হেলমেট ও অপরাধকালে ব্যবহৃত জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি আরও বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলার বাদী আব্দুল আহাদ গত ৩০ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূবালী ব্যাংক বড়লেখা শাখা থেকে ২ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে তার মেয়ে সুহাদা আক্তার এর ভ্যানেটি ব্যাগে রাখেন। এছাড়াও মেয়ের ব্যাগে আগের আরও ১৬ হাজার টাকা ছিল। ব্যাগে মোট ২লক্ষ ১৬ হাজার টাকা নিয়ে বাবা ও মেয়ে মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে শিমুলিয়া নামক স্থানে পৌছালে ২ টি মোটরসাইকেলে করে আসা ৪ জন ছিন্তাইকরাী তাদের পথরোধ করে। এসময় আব্দুল আহাদের মেয়ে সুহাদার আক্তারের গলায় ধারালো দা ধরে তাকে জিজ্ঞাসা করে সঙ্গে থাকা টাকা ভর্তি ভ্যানিটি ব্যাগ, স্মার্ট ফোন ও গলায় থাকা ২ ভরি ওজনের রুপার চেইন এবং ব্যাগে থাকা স্মার্টকার্ড ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় দস্যুতার অভিযোগে নিয়মিত (মামলা নম্বর ১৭, তারিখ ৩০/০৭/২০২৫, ধারা ৩৪১/৩৯২ দণ্ডবিধি দায়ের হলে জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা এবং কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেনের নেতৃত্বে বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, এসআই রতন কুমার হালদার, এসআই সুব্রত চন্দ্র দাস, এএসআই ফজলে আজিম, এএসআই সুলতানসহ পুলিশের একটি টিম অপরাধীদের ধরতে মাঠে নামে।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপরাধীদের আটক ও ছিন্তাই করা টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।