মোহাম্মদ মহিউদ্দিনঃ

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বঙ্গবীর ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তিনি বলেন, বাড়িতে অভিভাবক ও স্কুলে শিক্ষক নজরদারি করলেই শিক্ষার মান বাড়বে। এর বাইরে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ইতিবাচকভাবে মনিটরিং করলে পাসের হার বাড়বে।

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি থাকলে এবং শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্কুলে সাপ্তাহিক গ্রুপ পরীক্ষা নেওয়া, বাড়িতে মা-বাবা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি খেয়াল রাখলে ফল ভালো হবে। বাল্য বিবাহ বন্ধ করা, প্রজেক্টর ধারা ভালো শিক্ষা গ্রহণ করা।

স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ধর্মঘর ইউনিয়নের মেম্বার বিল্লাল মিয়া বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা গুরুত্বপুর্ণ ভাবে লেখাপড়া মনযোগী হলে স্কুল সুনাম অর্জন হবে এবং অভিভাবকদের উদ্দেশ্য দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ অলি উল্লাহ বলেন, যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী লাগাতার ৩দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে তার ছাত্রত্ব থাকবে না এমনকি অভিভাবকরা এসেও অনুরোধ করলেও সে অনুরোধ রাখা হবে না।

আমার লিখিত অভিযোগে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জানানো হবে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত এক অভিভাবক সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। অভিভাবক হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী শামসুজ্জামান তিনি অভিযোগ আনেন বিদ্যালয়ে মনযোগ দিয়ে লেখা পড়া করানো হয় না। ক্লাস নিয়মিত হলে ছাত্র-ছাত্রীরা আরো ভাল ফলাফল করতে পারবে।

অভিভাবক জানু মিয়া বলেন, স্কুলে প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে যদি প্রাইভেট পড়াতে হয় ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল থেকে বাড়ী ফিরতে অসুবিধা হয় তাই অভিভাবকদের কে যেন ফোনে জানানো হয় আজ স্কুলে প্রাইভেট ক্লাস আছে বাড়ী ফিরতে দেরী হবে।

সমাবেশে দশম শ্রেণি ও ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের মধ্য বক্তব্য রাখেন সাহিদা জামান বর্ষা বলেন, বিদ্যালয়ে এসে মনযোগ দিয়ে লেখাপড়া না করে শিক্ষকদের দোষ দিলে হবে না আমাদের শিক্ষক অনেক ভালো এবং আমাদের সাইন্সের ক্লাসের জন্য একটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করার জোড় দাবী জানান।

অনুষ্ঠিত সভায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর মায়েরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিশেষ শ্রেণি কার্যক্রম করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ অলি উল্লাহ বলেন, আমরা শিক্ষকেরা দায়িত্ব নিয়ে পড়াই। কেউ গাফিলতি করলে আমাকে বলবেন। কোন ছাত্র-ছাত্রী টেস্টে পরীক্ষা ফেল করলে দ্বিতীয়বার ফরম পূরণ করা হবে না। ২০২৬ এর এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে শক্তভাবে।