🔺 নিজস্ব প্রতিবেদক | টরন্টো

কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের জয়জয়কার আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে ফেডারেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্কারবরো সাউথওয়েস্টের টানা তিনবারের সফল এমপিপি ডলি বেগম। লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে এবার তিনি লড়ছেন মেম্বার অফ পার্লামেন্ট (MP) পদে। আগামী ১৩ই এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ স্থানীয় ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ডলি বেগম কানাডার প্রাদেশিক রাজনীতিতে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপিপি হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন। এবার ফেডারেল নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি হবেন কানাডার পার্লামেন্টে প্রথম বাংলাদেশি এমপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের গড়া আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর অনন্য সুযোগ এখন ডলি বেগমের সামনে।

এলাকার অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ হিসেবে ডলি বেগম ইতোমধ্যেই স্কারবরো সাউথওয়েস্টে জোরালো প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। গত কয়েক বছর ধরে এমপিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার বলিষ্ঠ ভূমিকা স্থানীয়দের হৃদয়ে তাকে বিশেষ স্থান করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে তিনি শুনছেন তাদের প্রত্যাশার কথা।

প্রচারণায় অংশ নেওয়া জালালাবাদ বার্তা সম্পাদক রুহুল চৌধুরী বলেন, “ডলি বেগম আমাদের গর্ব। তিনি কেবল একজন প্রার্থী নন, তিনি আমাদের কমিউনিটির কণ্ঠস্বর। তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করার মাধ্যমে আমরা অটোয়ার পার্লামেন্টে আমাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চাই। ১৩ই এপ্রিলের ভোটে ডলি বেগমের বিজয় মানেই আমাদের সকলের বিজয় এবং নতুন এক ইতিহাসের সূচনা।”

এদিকে, নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তারিখের আগেই অ্যাডভান্স ভোটিং (অগ্রিম ভোট) শুরু হয়েছে। ডলি বেগমের সমর্থক ও স্বেচ্ছাসেবীরা ভোটারদের কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটির ভোটারদের মধ্যে এবার অভূতপূর্ব ঐক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করছেন, ডলি বেগমের বিজয় বিদেশের মাটিতে বাঙালিদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে।

উল্লেখ্য, ১৩ই এপ্রিল ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে স্কারবরো সাউথওয়েস্টের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিপুল সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে ডলি বেগম আবারও ইতিহাস গড়বেন বলে আশাবাদী তার নির্বাচনী প্রচারণা শিবিরের নেতা-কর্মীরা।