
চরফ্যাসনে জিন্নাগড়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় মা মেয়ে সহ আহত তিন নারী।
চরফ্যাসন ( ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাসনে কৃষক পরিবারের ওপর হামলা করে একই পরিবারের ৩ নারীকে আহত করে লাখ টাকা লুট করার নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কৃষক আব্দুর রব এর বাড়িতে এই হামলা ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।আহতদের চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহত সাহিদা বেগমের স্বামী আবদুর রব জানিয়েছেন। আহতরা হলেন আবদুর রবের স্ত্রী সাহিদা বেগম (৪৫), কলেজ ও স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাদিয়া (২০) এবং সামিয়া (১৪)।
বুধবার (১৪ মে) চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাহিদা বেগম জানান, মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ পর আমার মেয়েরা পড়ার টেবিলে পড়তে বসেছে। এমন সময় দরজা ধাক্কা দিয়ে খোলার জন্য ডাক চিৎকার দিচ্ছিল কয়েকজন যুবক। আমার ছোট মেয়ে সামিয়া দরজা খুলে দেওয়ার পর তাকে লাথি মারলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সামিয়া ধরতে এগিয়ে এলে জিন্নাগড় ৫ নং ওয়ার্ডের সাফিজলের ছেলে হাসান, ৬ নং ওয়ার্ডের নুরনবী বকসী ছেলে আওলাদ ও শাকিলের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাকে ও আমার মেয়ে সাদিয়াকে বেধরক মারধর করে। আমার ঘরে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে যায়। আমাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা উল্লাস করতে করতে সটকে পড়ে। তখন আমার স্বামী ও ছেলে চরফ্যাসন বাজারে ছিলেন। আমার স্বামী সন্তান এসে আমাদের কে প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় হাসোতালে ভর্তি করা হয়।
কৃষক আঃ রব জানান, ঘটনার সময় আমি ও আমার ছেলে বাড়ীতে না থাকায় এই যুবক ছেলেরা আমার বাড়ীতে এসে নগদ এক লাখ টাকা লুটে নেয় এবং আমার স্ত্রী ও কন্যা সন্তানদের মারধর করে আহত করা হয়।
আহত কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সাদিয়া জানান, আমাদের বাড়ীতে একটি মাত্র ঘর এমনকি আমার বাবা ও ভাই বাজারে থাকায় স্থানীয় আওলাদ, হাসান ও শাকিল সহ ৫/৬ জন সংঘবদ্ধ এই চক্রটি আমাদের টাকার জন্য মাধর করে এবং ১ লাখ টাকা নিয়ে যায়। আমার বাবা ও ভাই বাড়ীতে এলে আমাদেরকে আহত অবস্থায় চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা গা ঢাকা দেওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।
চরফ্যাসন থানার ওসি মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, এমন কোন ঘটনার অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।