
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ও মাইক্রোবাস শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে সালবাদিকসহ ১৫জন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ সড়কে সিএনজি স্ট্যান্ডে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাইক্রো চালককে মারধর করে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা। পরে কার মাইক্রো চালকরা সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডে এসে সিএনজি চাকদের উপর হামলা চালায়। হামলায় দুজন আহত হন।
এ ঘটনার জের ধরে সিএনজি চালকরা সংঘবদ্ধ হয়ে কার মাইক্রো স্ট্যান্ডে হামলার জন্য রওয়ানা দেয়। চৌমুহনী এলাকা হয়ে স্টেশন রোডে প্রবেশকালে কার মাইক্রো চালকরা প্রতিরোধ করতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে। এরপরও দুই পক্ষের দাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় সাংবাদিক সহ ১৫/১৬ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে শহরে প্রায় ২ ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে পড়ে। যানবাহন বন্ধ থাকায় ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
জানা যায়, দুই পক্ষের সংঘর্ষের সমশ শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ইসমাইল মাহমুদ, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন বাচ্চু ও এহসানুল হক আহত হন।
খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না এবং ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো, কামাল হোসেন, সহসভাপতি মো: শামীম আহমদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের খোঁজখবর নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।
