
মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি জবরদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ২টায় শহরের হবিগঞ্জ রোডস্থ একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন মো. ফারুক আহমদ।
উনার বক্তব্য নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
বিগত ২৩ এপ্রিল ১৯৯৮ইং তারিখে উত্তরসুর মৌজায় হবিগঞ্জরোডস্থ বাগান বাড়ী রেস্টুরেন্ট এবং মিনিবার সংলগ্ন আর, এস ৭৭৫ খতিয়ানে আরএস ৫৮২৩ নং দাগে ১০ শতক ভূমি ক্রয় করি। পরবর্তীতে উক্ত ভূমি নামজারী সংশোধন পূর্বক সন সন খাজনা পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছি। বিগত ১১/১০/২০২৫ইং তারিখে আমার ভূমিতে দেয়াল করব বলে আমার পার্শ্ববর্তী মালিক দোলন মিয়ার সাথে সীমার বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু দোলন মিয়া আমার ভূমিতে দেয়াল দিতে নিষেধ করে এবং সে বলে ভূমিটি দোলন মিয়ার ক্রয়কৃত। আমি উনাকে বললাম আমরা উভয়পক্ষের কাগজ নিয়ে একসাথে বসে যাচাই-বাছাই করে দেখি কার কাগজ সঠিক।
উনি আমাকে নিদিষ্ট কোন তারিখ দেয় নাই। এমতাবস্থায় প্রায় দুই মাস চলে গেল। পরবর্তীতে শ্রীমঙ্গল স্বাদ এর মালিক ফারুক মিয়ার মাধ্যমে আবারও বসার চেষ্টা করি এতেও প্রায় একমাস সময় অতিবাহিত হয়। পরবর্তীতে আমি ৩নং শ্রীমঙ্গল ইউপি’র সাবেক মেম্বার আনোয়ার উদ্দিন এর সাথে সার্ভেয়ারসহ আমাদের ভূমি মাপের জন্য উপস্থিত হই। এমতাবস্থায় সে নিষেধ করে এবং শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সেক্রেটারি কামাল হোসেন আমাদেরকে তাৎক্ষনিক ফোনে কথা বলেন এবং উনি আমাকে এ বলে আশ্বাস দেন যে, দোলন মিয়া আমার আত্মিয় এবং সে আমার পুত্রা সুতরাং এই বিষয়টি নিয়ে বেশি কথা বলার দরকার নেই এইটা আমি সুরাহা করে দিব এবং উনার নেতৃত্ব বিচারের জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এবং আমরা উভয়পক্ষ ভূমির কাগজ নিয়ে বসি। কাগজ যাচাই-বাচাই করেন ৪ (চার) জন সার্ভেয়ার খোরশেদ আলম, আলী হোসেন, মোস্তফা মিয়া, নেছার আহমদ এবং বিএনপি নেতা মুকছুদ আলী, বিএনপি নেতা মশিউর রহমান রিপন, ব্যবসায়ি সমিতির নেতা হাফিজ আহমদ, মোবারক হোসেন লুপ্পা, আক্তার হোসেন এবং আরো উপস্থিত প্রায় ৪০/৫০ জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ।
যাচাই-বাছাইর একপর্যায়ে আমিনগণের পক্ষ থেকে বলা হয় বে. একপক্ষ অন্য পক্ষের কাগজ উঠাবে। পরবর্তী তারিখে আমরা কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে নতুন কাগজ নিয়ে বিচারের বসি। এবং দীর্ঘ সময় যাচাই-বাছাই করার পর আমার ভূমির কাগজগুলো সঠিক বলে সিন্ধান্ত হয়। কিন্তু রাত অধিক হওয়ার কারণে পরবর্তী দিন বিজ্ঞ বিচারকগণ পরবর্তী দিন বসার জন্য ধার্য্য করেন। কিন্তু সে পরবর্তী দিনে উপস্থিত থাকবে বলে উপস্থিত হয় নাই। পরের দিনে কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আমি ফারুক আহমদ ও রৌউফ উদ্দিনের এর জায়গা সঠিক বলে আমাকে ভোগ ব্যবহার করার জন্য অনুমতি দেন। এমতাবস্থায় ০৯/০৩/২০২৬ইং তারিখ রোজ সোমবার আমি আমার কাজের লোকসহ জায়গাতে টিনের বেড়া দেই। কিন্তু দোলন মিয়া বিকালে আমার জায়গার টিনের বেড়াটি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। এবং ঐদিন আমি শ্রীমঙ্গল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরবর্তীতে ফেইজবুকের মাধ্যমে আমি দেখতে পাই যে, সে এবং তার ভাই বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারনা শুরু করেন। যা প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে মিথ্যা প্রচরণার সামিল।
যার ফেইজবুক আইডি: Ruhul Amin Shuvo. শুভ উল্লেখ্য করেন যে, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মশিউর রহমান রিপন এবং যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার বাসায় হামলা চালায় তাদের সাথে ছিল রাকিব আলী ও জিল্লার রহমান, ও জসিমসহ আরও কয়েকজন। তারা আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখায়। যা ঘটনার সাথে কোন ক্রমেই যুক্ত নহে। এই বক্ত্যবটি ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রনোনিত। কারণ যুবদল নেতা মুহি উদ্দিন ঝাড়ু কোনদিন এই সালিশে সম্পপৃক্ত ছিলেন না।
এ বিষয়ে সত্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন মো. ফারুক আহমেদ।